সংজ্ঞায়িত করুন
সুবিধার প্রাপক, সময়কাল, গণনার ভিত্তি ও প্রভাবক যাচাই করুন; কোন পরিবর্তনগুলো এই উন্নয়নের কারণে হয়েছে তা নির্ধারণ করুন এবং দ্বৈত গণনা এড়ান।
এই ধারণাটি বোঝা
সুবিধার কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষ, সময়কাল, বেসলাইন, প্রভাবক এবং স্বীকৃতির প্রমাণ যাচাই করুন। বিনিয়োগ, এড়ানো ব্যয়, বাস্তবায়িত ব্যয় হ্রাস, মুনাফা, নগদ অর্থ এবং সক্ষমতার পরিবর্তন আলাদা করে দেখুন। কর্মীকে অন্য পদে স্থানান্তর করে সক্ষমতা মুক্ত করা মানেই মজুরি ব্যয় কমে যাওয়া নয়; মজুত কমা মানেই সমপরিমাণ মুনাফা বৃদ্ধি নয়; গ্রাহকের সুবিধা ও নিজ প্রতিষ্ঠানের সুবিধা যোগ করে একই সুবিধা দুবার গণনা করাও যাবে না। রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ ও বাস্তবায়ন ব্যয় নির্দিষ্ট পরিসর অনুযায়ী বিবেচনা করুন। ঐতিহাসিক কেসে অর্থ বিভাগের স্বাক্ষর থাকলেও গাণিতিক পুনঃযাচাই ও কারণ নির্ধারণ বাদ দেওয়া যাবে না।
ব্যবসায়িক পরিস্থিতির উদাহরণ
ছয়টি কারখানা তথ্যায়নে বিনিয়োগ ও সুফলের প্রতিবেদন দিয়েছে। দলটি প্রথমে মূল টেবিলের হিসাব পুনরায় করে এবং একটি স্থানের ঋণাত্মক পার্থক্যও সংরক্ষণ করে; এরপর সময়কাল, ব্যয়ের পরিধি এবং নিশ্চিতকরণ-প্রমাণের ঘাটতি তালিকাভুক্ত করে। বাইরের পক্ষের কাছে কেবল মূল প্রতিবেদনের সংখ্যাগুলোই জানানো হবে; সেগুলোকে যাচাইকৃত নিট মুনাফা বলা হবে না।