সংজ্ঞায়িত করুন
ফলাফল ও একাধিক কারণের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে সমস্যা সমাধানের টুল তৈরি করুন।
এই ধারণাটি বোঝা
কারণ-ও-ফল চিত্র, যা ফিশবোন চিত্র নামেও পরিচিত, সমস্যার সম্ভাব্য কারণগুলো পদ্ধতিগতভাবে সাজানোর একটি সরঞ্জাম। এতে সমস্যার ফলাফলটি মাছের মাথায় রাখা হয়, আর সম্ভাব্য কারণগুলো মানুষ, যন্ত্র, উপকরণ, পদ্ধতি, পরিবেশ ও পরিমাপ(6M)শ্রেণিতে মাছের কাঁটার মতো সাজানো হয়; লেনদেনভিত্তিক প্রক্রিয়ায় 4P ব্যবহার করা হয়। এটি দলকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্রেনস্টর্ম করতে এবং সম্ভাব্য সব প্রভাবক শনাক্ত করতে সহায়তা করে। জটিল সমস্যার মুখোমুখি হলে অভিজ্ঞতানির্ভর অনুমান করা এবং গুরুত্বপূর্ণ কারণ বাদ পড়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান এটি করে। সাধারণ ব্রেনস্টর্মিংয়ের বিপরীতে, কারণ-ও-ফল চিত্র একটি কাঠামোবদ্ধ শ্রেণিবিন্যাসের কাঠামো দেয়, ফলে বিশ্লেষণ আরও পূর্ণাঙ্গ হয়। এর আউটপুট সাধারণত কারণগুলোর একটি ভিজ্যুয়াল চিত্র, যা পরবর্তী তথ্য সংগ্রহ ও মূল কারণ বিশ্লেষণের দিকনির্দেশনা দেয়।
ব্যবসায়িক পরিস্থিতির উদাহরণ
একটি কারখানায় সম্প্রতি পণ্যের ত্রুটির হার বেড়েছে, তাই দলটি বিশ্লেষণ সভা করে। সবাই প্রথমে একটি কারণ-প্রভাব চিত্র আঁকে এবং মাছের মাথায় “ত্রুটির হার বৃদ্ধি” লেখে। এরপর মানুষ (অপারেটরের দক্ষতা), যন্ত্র (সরঞ্জামের নির্ভুলতা), উপকরণ (কাঁচামালের ব্যাচ), পদ্ধতি (কাজের মান), পরিবেশ (কারখানার তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা) এবং পরিমাপ (পরিমাপ যন্ত্র)—এই ছয়টি দিক (6M) থেকে সম্ভাব্য কারণগুলো একে একে তালিকাভুক্ত করে। এই চিত্রের মাধ্যমে দলটি বুঝতে পারে যে আগে তারা শুধু অপারেটরের বিষয়টিতে মনোযোগ দিয়েছিল এবং সরঞ্জামের পুরোনো হয়ে যাওয়ার সমস্যাটি উপেক্ষা করেছিল। তাই তারা সরঞ্জাম পরিদর্শন ও মেরামতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।